মেনু ও ক্যাটাগরি

প্রচ্ছদ

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী!

00:00
00:00
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী!

আজ আমার ভীষণ মন খারাপ। আপনাদেরও কি মন খারাপ? তাহলে লেখাটি পড়ুন এবং কিছু বিষয়ে সতর্ক হয়ে যান। আশা করি, মন ভালো থাকবে, মানসিক প্রশান্তি পাবেন।

একবার ভেবে দেখুন তো, যেখানে ধনী-গরিবের কোনো ভেদাভেদ নেই, সেখানে এই পৃথিবীতে মানুষে মানুষে কত ব্যবধান! কত বৈষম্য, কত বিভেদ! অথচ পৃথিবী থেকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি আমাদের নেই কিছুই—শুধু রেখে যেতে পারি আমাদের কর্মফল।

বুঝতে পারছেন, যখন কাউকে বিশ্বাস করে সাহায্য করবেন, অথচ সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখা হবে না, তখন কষ্টটা শুধু টাকা-পয়সার জন্য হয় না; আঘাত লাগে মানুষকে বিশ্বাস করার জায়গাটিতেই।

তবে এমন মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকার অর্থ এই নয় যে সবাইকে অবিশ্বাস করতে হবে। বরং বিশ্বাস করুন, তবে যাচাই করে; সাহায্য করুন, তবে নিজের সীমারেখা ঠিক রেখে।

জীবনের একটা সময় এসে বুঝতে হয়—সবাইকে ভালোবাসা যায়, কিন্তু সবাইকে বিশ্বাস করা যায় না।

কাউকে বিশ্বাস করার আগে তার কথার চেয়ে কাজকে বেশি গুরুত্ব দিন। কেউ আপনার ভালোবাসা, সরলতা কিংবা সহযোগিতাকে দুর্বলতা মনে করে সুযোগ নিতে চাইলে তার কাছ থেকে একটু দূরে সরে যাওয়াই ভালো।

প্রতারিত হওয়ার পর প্রতিশোধ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। চুপচাপ নিজের সীমারেখা তৈরি করুন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যক্তিগত বিষয় কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না। আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে কথার পাশাপাশি লিখিত প্রমাণ রাখুন।

কারও জন্য নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করবেন না। অন্যের ভুলের শাস্তি নিজেকে কষ্ট দিয়ে দেওয়ারও কোনো প্রয়োজন নেই।

আমার এই কথাগুলো কাউকে উদ্দেশ্য করে বলা নয়। বরং নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত কিছু উপলব্ধি। সতর্ক হওয়া জরুরি—বিশেষ করে তাঁদের জন্য, যাঁরা আমাকে ভালোবাসেন এবং সুস্থ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করতে চান।

বিশ্বাস করুন, চোখ বন্ধ করে ভালোবাসবেন না।

সাহায্য করুন, কিন্তু নিজের ক্ষতি করে নয়।
ভালো থাকুন, কিন্তু নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে নয়।

কারণ একজন সৎ মানুষের সরলতাকে কেউ যেন তার দুর্বলতা ভেবে সুযোগ নিতে না পারে।

আল্লাহ আমাদের এমন মানুষ হওয়ার তৌফিক দান করুন, যাঁদের ওপর অন্যের বিশ্বাস নিরাপদ থাকে। আর এমন মানুষ চিনে নেওয়ার হিকমত দান করুন, যাঁদের কাছ থেকে দূরে থাকাই আমাদের জন্য কল্যাণকর।

আপনাদের জন্য একটি কথা বলি—মন খারাপ থাকলে কাউকে জ্ঞান দেওয়ার মতো বার্তা পাঠাবেন না। একটু চুপ থাকুন, নিজেকে সময় দিন। কারণ আবেগের মুহূর্তে বলা অনেক কথা নিজের কষ্টকেই আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

মনে রাখবেন, যে মানুষ আপনার বিশ্বাসের মর্যাদা রাখেনি, তার আচরণ যেন আপনার মনের শান্তিটুকুও কেড়ে নিতে না পারে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিকভাবে মানুষ চিনতে, অন্যের অনুভূতি বুঝতে এবং নিজেদের মানসিক শান্তি রক্ষা করতে তৌফিক দান করুন। আমিন।

বিশ্বাস করি, এই ছোট ছোট বিষয়গুলো মেনে চলতে পারলে আমরা অনেকটাই শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর জীবন যাপন করতে পারব।

লেখক: তাসলিমা মালেক কেয়া

শেয়ার:

পাঠকদের মতামত 0

শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্য
এই সংবাদের জন্য নতুন মন্তব্য গ্রহণ করা বন্ধ রয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যটি করুন আপনি!
আজকের বিশেষ তথ্য TODAY
ইংরেজি তারিখ: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
বাংলা সন: ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
হিজরি তারিখ: ১৯ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরী
সাহরী: -- মি. ইফতার: -- মি.
সূর্যোদয়: -- মি. সূর্যাস্ত: -- মি.
নামাজের সময়সূচী (৫ ওয়াক্ত)
ফজর --
যোহর --
আসর --
মাগরিব/ইফতার --
ইশা --
সাহরী শেষ --