গণমানুষের সাথে
পোর্টাল: www.gonabarta.com | প্রিন্টের সময়: ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:৫৪ পিএম
অবশেষে চাকরি থেকে বরখাস্ত ডিবি হারুন
সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) আলোচিত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন...
বাংলাদেশ অবশেষে চাকরি থেকে বরখাস্ত ডিবি হারুন
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৯ পিএম প্রধান সম্পাদক : সৈয়দ আশিক রহমান বেঙ্গল মিডিয়া করপোরেশন লিমিটেড,১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫ নিউজ রুম : +৮৮০-১৮৭৮১৮৪৩৬৯-৭০ ই-মেইল : [email protected] বিজ্ঞাপন : [email protected]
সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) আলোচিত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকাকে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’ হিসেবে গণ্য করে তার বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কার্যকর ধরে হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং ই-মেইল ঠিকানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কাজে যোগ দেননি।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ অধিদপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। পরে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে ০০৫/২০২৫ নম্বর বিভাগীয় মামলা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো লিখিত জবাব দেননি। এমনকি সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় গত ২২ জুন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে ৬ আগস্ট দাখিল করা প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এরপর গত ২০ আগস্ট তাকে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। পরে চাকরি থেকে বরখাস্তের মতো গুরুদণ্ড আরোপের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হয়। গত ১ অক্টোবর কমিশনও তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের পক্ষে মতামত দেয়।
সবশেষে বিভাগীয় মামলার নথিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন ও সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ পর্যালোচনা করে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন। এতে বলা হয়েছে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।