গণমানুষের সাথে
পোর্টাল: www.gonabarta.com | প্রিন্টের সময়: ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০২ পিএম
নানাবাড়িতে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ মিলল রাস্তায় |
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধানক্ষেতের পাশের রাস্তা থেকে মো. নাঈম (১৪) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম অনলাইন সংস্করণ অ- অ+ এ সম্পর্কিত আরও খবর রেলওয়ের লেকে মিলল নারীর ভাসমান মরদেহ ধানমন্ডি লেক থেকে মরদেহ উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরপাড়ের ঝোপে মিলল নিখোঁজ শিশুর মরদেহ শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন মরদেহ, মেলেনি পরিচয় নানাবাড়িতে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ মিলল রাস্তায় সম্পাদক: সন্তোষ শর্মা । প্রকাশক: মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু
ফ্যাক্স : +৮৮ ০২ ৫৫১৬১৬৬৪ । ই-মেইল: [email protected].নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধানক্ষেতের পাশের রাস্তা থেকে মো. নাঈম (১৪) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বাগ্যা গ্রামের এবায়েদ উল্যার বাড়ি সংলগ্ন ধানক্ষেতের পাশের রাস্তা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাঈম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ইব্রাহিম খলিলের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে সুবর্ণচরে নানার বাড়িতে থেকে চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত।
স্থানীয়রা জানায়, নাঈম ‘বুলু নেতা সমাজের’ এবায়েদ উল্যার মেয়ের ঘরের নাতি। প্রায় তিন বছর আগে নাঈমের মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর থেকে নাঈম নানার বাড়িতে থেকে উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করতো।
নিহেতর নানা এবায়েদ উল্যাহ বলেন, শনিবার নাঈম মাদ্রাসা থেকে চলে আসে। পরে তার বাবা আমাদের ফোন দিয়ে তার ছেলের অবস্থান জানান। তার নানি আমেনা খাতুন ওই জায়গায় গিয়ে নাতিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। সোমবার রাতের খাবার খেয়ে নাঈম ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ফজরের নামাজের সময় উঠার পর দেখি ঘরের দরজা খোলা, সে ঘরে নেই। সকাল ৭টার দিকে আমি সার আনার জন্য যাওয়ার পথে আমার বাড়ি থেকে ১০০ গজ দূরে ধানক্ষেতের পাশে রাস্তার ওপর তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি।
এবায়েদ উল্যাহ তার অভিযোগে জানান, ২০-২৫ দিন আগে আমার মেয়ের নতুন করে বিয়ে হয়। এরপর নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল তার মা সুমি আক্তারকে কীভাবে ছেলের আয় রোজগার খায়- সেটি দেখে নেবে বলে হুমকি দেয়। এতে করে নিহতের মা তার বাবাকে সন্দেহ করছে। সকালে ছেলের মৃত্যুর খবর দেওয়ার জন্য তাকে অনেকবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। পরে সে নিজে ফোন করলে তাকে ছেলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। এরপর দুপুর ১টা পর্যন্ত ছেলের মরদেহ দেখতে আসেননি বাবা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার নিহতের বাবা ইব্রাহিম খলিলের মুঠোফোনে কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার বলেন, খবর পেয়ে আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহতের থুঁতনির নিচে দাগ রয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। নিহেতর বাবার সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি চট্রগ্রাম অথবা ফেনীতে আছেন, তিনি আসতেছেন বলে জানিয়েছেন।