গণমানুষের সাথে
পোর্টাল: www.gonabarta.com | প্রিন্টের সময়: ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০১ পিএম
যৌথ অভিযানে যুবলীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মিস্টার’ গ্রেপ্তার
ফেনীতে পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলাম মাওলা মিস্টারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ পিএম অনলাইন সংস্করণ অ- অ+ এ সম্পর্কিত আরও খবর ‘ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার’ ভয় দেখিয়ে টাকা নিলেন নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতা দুই বছর আগে ক্যান্সারে মারা যাওয়া যুবলীগ নেতাও বিস্ফোরক মামলার আসামি যুবলীগের মশাল মিছিল, মামলার আসামি আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতা ভিপি ফিরোজ গ্রেপ্তার যৌথ অভিযানে যুবলীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মিস্টার’ গ্রেপ্তার সম্পাদক: সন্তোষ শর্মা । প্রকাশক: মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু
ফ্যাক্স : +৮৮ ০২ ৫৫১৬১৬৬৪ । ই-মেইল: [email protected].ফেনীতে পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলাম মাওলা মিস্টারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভোরে দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নে নিজ ফুফুর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও ফেনী মডেল থানা-পুলিশের একটি যৌথ দল এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার গোলাম মাওলা মিস্টার ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের যুবলীগের নেতা হিসেবে পরিচিত। বিগত সরকারের আমলে এলাকায় নিজস্ব বাহিনী গড়ে তুলে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাতটি মামলা রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, মিস্টার অস্ত্র উঁচিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে জিম্মি করে রাখতেন। ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে মোটা অর চাঁদা আদায় ছিল তার নিত্যদিনের কাজ। এমনকি স্থানীয়দের গরু-ছাগল ছিনিয়ে নিয়ে জবাই করে খাওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার সশস্ত্র মহড়ার কারণে এলাকার বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তটস্থ থাকতেন। ইতোপূর্বে র্যাব ও পুলিশ কয়েকবার অভিযান চালালেও তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এই তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৭টি মামলা রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।’
ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মু. সাইফুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন কোনো অভিযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার কালবেলাকে বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত ওই ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার কাছে স্থানীয় এলাকাবাসী জিম্মি ছিল। তাকে গ্রেপ্তার করা পুলিশের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। সন্ত্রাসী যেই হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’